আরটিফিসিয়াল ইন্টালিজেন্স (AI) বা যান্ত্রিক বুদ্ধি কি? কোথায় চলেছি আমরা ?

 

সৌজন্যে Gabriella Mueller


আপনি বন্ধুর বাড়ী থেকে নিজের বাড়ী ফিরছেন পকেট থেকে মুঠোফোণ বার করে আপনি উবের অ্যাপ খুলে গাড়ী ডাকলেন আপনার লোকেশান বা অবস্থান ফোনের জানা আছে নিজের বাড়ীর ঠিকানা টা কেবল দিয়ে দিলেন ১০ মিনিটের মধ্যে গাড়ী আপনার কাছে চলে এলো  আর তার কিছুক্ষণের মধ্যে উবের আপনার গন্তব্য স্থলে পৌঁছে দিল ঠিক বাড়ীর সামনে  কাউকে রাস্তা জিজ্ঞেস করতে হল না  কাউকে ‘কোন বাড়ীটা দাদা’ বলে প্রশ্ন করতে হোল না

কয়েক বছর আগেও এটা অকল্পনীয় ছিল কিন্তু এখন এটা খুব সাধারন ব্যাপার কথা হচ্ছে উবের এর গাড়ী এসব করছে কি করে? এখানেই আসছে যান্ত্রিক বুদ্ধি বা আর্টিফিসিয়াল ইন্টালিজেন্স  উবেরের সফ্টওয়্যারের সমস্ত মানচিত্র দেওয়া আছে তার আছে রাস্তা চেনার ক্ষমতা| উবের আরো জানে কোথায় জ্যাম হোতে পারে বা না পারে| আছে আপনি গারিতে চড়লেন বা নামলেন কিনা বোঝার বুদ্ধি সবই হচ্ছে যান্ত্রিক বা কৃত্রিম বুদ্ধিতে এই সবের ফলে গাড়িতে যাত্রার অনেক পরিশ্রম বেঁচে যাচ্ছে যেটা সাধারন ট্যাক্সি বা গাড়ীতে গেলে আপনাকে করতে হোত উবের আরো অনেক কিছু করে যান্ত্রিক বুদ্ধিতে যে সম্বন্ধে পরে বলবো|

আর্টিফিসিয়াল ইন্টালিজেন্স বা AI এর সম্ভাবনা

যান্ত্রিক বুদ্ধি সারা পৃথিবীতে আলোড়ন ফেলে দিযেছে বলতে গেলে সভ্যতার এক নতুন অধ্যাযের সূচনা করেছে এটা মানুষের ক্ষমতাকে কোথায় নিয়ে যাবে তার হদিস কেউই জানে না তবে এটা ঠিক যে এটা সভ্যতার একটা বিশাল পদক্ষেপ সে বিষয়ে কারুর সন্দেহ নেই এর যেমন এখন অচিন্ত্যনীয় ভাল কিছু করার ক্ষমতা রয়েছে এর জন্যে খারাপ ও হতে পারে বিস্তর এ নিয়ে পরে বলছি আগে এর ভাল দিকটা নিয়ে আগে বলি

মেয়েদের স্তনের ক্যানসার খুবই সাধারন একটি ঘটনা  অনেক ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয় হবার আগেই ক্যানসার এত বেড়ে যায় যে তখন এর চিকিৎসা করা খুব দুরুহ হয়ে ওঠে তাতে রোগীর প্রান সংশয় অনেক বেড়ে যায় যান্ত্রিক বুদ্ধির সাহায্যে কোনো ভাল বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর চেয়ে অনেক আগেই বলে দেওয়া যাচ্ছে যে ক্যানসার হতে চলেছে তারফলে চিকিৎসা তাড়াতাড়ি আরম্ভ করে প্রান বাঁচানো সোজা হয়ে যাচ্ছে | যান্ত্রিক রোগ নির্ণয় এতটাই নিখুঁত যে, যে সব ক্ষেত্রে আগে সার্জারির দরকার হোত এখন আর তা হচ্ছে না যেহেতু অসুখ নির্ণয় অনেক গভীর ভাবে হচ্ছে সেই জন্যে চিকিৎসাও হচ্ছে অনেক সুনির্দিষ্ট

করোনা ভাইরাস এর ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক করা খুব তাড়াতাড়ি সম্ভব হচ্ছে যান্ত্রিক বুদ্ধির সাহায্য নিয়ে  আপনারা অনেকেই নিশ্চয়ই ড্রাইভারহীন গাড়ীর কথা শুনেছেন এই মুহূর্তে আমেরিকা, জার্মানি ও চীনের বহু জায়গায় এর ব্যবহার আরম্ভ হযেছে এটাও সম্ভব হচ্ছে যান্ত্রিক বুদ্ধির সহায়তায় চালকের সীটে এক জন আছেন বটে কিন্তু তিনি চালাচ্ছেন না দরকার হলে (যেমন ব্যাটারি পরিবর্তন) তিনি হস্তক্ষেপ করবেন

AI এর কার্য্য রহস্য

যান্ত্রিক মস্তিস্ক | সৌজন্যে DW

মানুষের মস্তিস্ক | সৌজন্যে DW


প্রশ্ন হোল যান্ত্রিক বুদ্ধি তৈরী হচ্ছে কি করে? এর মূলে আচ্ছে কম্পিউটারের ক্ষমতার অতি দ্রুত শক্তিবৃদ্ধি | মানুষের মস্তিষ্কের কার্য্যপ্রক্রিয়াকে অনুকরন করা যাচ্ছে যন্ত্রে

মানুষের মস্তিষ্কে আছে প্রায় দশ হাজার কোটি নিউরনের  অতিবিশাল এক নেটওয়ার্ক প্রত্যেকটি নিউরন আরো লক্ষ লক্ষ নিউরনের সঙ্গে যুক্ত একটি নিউরনে কোনো একটি সঙ্কেত (যেমন ধরুন কোনো শব্দ বা ছবি বা লেখা) এলে সেটি ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র মস্তিস্কে | তখন পুরো মস্তিস্কের শক্তি দিয়ে হয় তার বিশ্লেষণ এবং কি করা উচিত তার সিদ্ধান্ত সেই অনুযায়ী মানুষের দেহ কাজ করে এই পদ্ধতি কাজে লাগানো হচ্ছে কম্পিউটার তথা রোবটে

প্রথমে কম্পিইউটার কে দেওয়া হচ্ছে তথ্য যেমন ধরুন টিবি বা টিউবারকিউলোসিস রোগীর এক্স রে হাজার হাজার এক্স রে এগুলি মিলিয়ে মিলিয়ে আস্তে আস্তে যন্ত্র শিখছে এটা কোন রোগের ছবি সেটা শনাক্ত করতে প্রথমে পারছে না ভুল হচ্ছে কিন্তু যত এক্স রে মানে তথ্য তাকে দেওয়া হচ্ছে সেটা তার যান্ত্রিক বুদ্ধির সাহায্যে ধরে ফেলছে| এই ভাবে কিছু দিনের মধ্যেই তাকে টিউবারকিউলোসিস এর এক্স-রে দিলেই সে ১০০% ঠিকঠাক বলে দিচ্ছে 

ডিপ লার্নিং 

 এইবার বলি আর একটা গুরুত্ব পূর্ণ কথা মানুষের গননা ক্ষমতা সীমাবদ্ধ মানুষ কেবল মাত্র তিনটী ডাইমেনসানের মদ্ধে দুটী বিন্দু কে আলাদা করতে পারে কিন্তু কম্পিউটার পারে আরো অনেক বেশি ডাইমেনশন এ এগুলিকে আলাদা করতে তার ফলে একই জিনিষ যন্ত্র অনেক বেশি ডিটেলে দেখতে পারে ফলে এক্স-রের যেসব সুক্ষ্ম জিনিষ কোনো মানুষ ডাক্তার দেখতে পায় না কম্পিউটার সেটা পায এর জন্য যন্ত্র কিছু দিনের মদ্ধেই টিউবারকিউলোসিস যে কোনো মানুষ ডাক্তারের তুলনায় অনেক আগে ও অনেকবেশি গভীরতার সঙ্গে বুঝতে পারে গুরুমারা বিদ্যে যাকে বলে | 

এবং এই ব্যাপারটা সবক্ষেত্রেই প্রযোজ্য  দেখা গেছে যে কোনো কম্পিউটার গেমস বেশ কিছু একে feed করলেই সে নিজে নিজে খেলাটা খেলতে শিখে যাচ্ছে | বেশ কিছু খেলা তাকে ইনপুট দেওয়া হলেই সে সেগুলো এনালাইজ করে তাতে এক্সপার্ট হয়ে যাচ্ছে | এর কিছু পরে সে এমন ভাবে খেলতে আরম্ভ করছে যে সেটা আগে কেউ ভাবেনি এবং সেটা অনেক বেশি কার্য্যকরী ও চমকপ্রদ | শুধু তাই নয় দাবা এবং গো (কোরিয়া এবং চীন এ বহুল প্রচলিত) জাতীয় খুব বুদ্ধির খেলাতেও খেলা একবার শিখে নিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের অনায়াসে হারিয়ে দিচ্ছে | যন্ত্রের এই গভীর ভাবে সব কিছু শিখে নেওয়াকে কে বলা হচ্ছে ‘ডিপ লার্নিং (deep learning)’|

 ডিপ লার্নিং এর সহায়তায় যে কোনো ক্ষেত্রে যন্ত্র এখন মানুষের ক্ষমতাকে অনেক গুনে ছাড়িয়ে যাবার শক্তি রাখে | এর শুধু প্রয়োজন আরো আরো বেশি ডাটা বা তথ্য |

আমরা আজকাল সবাই গুগল বা ফেসবুক ছাড়া দুমিনিট থাকতে পারি না | এরা আমরা যা জিজ্ঞাসা করি উত্তর দেয় | যেরকম গান বা ভিডিও দেখতে চাই দেখায় | যেরকম বন্ধু বা গ্রুপ দরকার হয় এনে দেয় | এই গুগল বা ফেসবুক প্রায় পুরো কাজ টাই করে মেশিন লার্নিং এর সাহায্যে | আমাদের প্রত্যেকটি হিট থেকে ওরা বুঝতে পারে আমরা কি চাই, আমরা কি খেতে পছন্দ করি থেকে আমাদের পার্সোনালিটি বা মানসিকতা কেমন, আমরা কোন রাজনৈতিক দল এর কথা পছন্দ করছি| মোটামুটি আমাদের সকলের হাঁড়ির খবর এরা জানে| সেই অনুযায়ী আমাদের দেখায় ও সব কিছু |

 বিজনেস ম্যানেজমেন্ট এ যান্ত্রিক বুদ্ধি এনে দিছে অভাবনীয় পরিবর্তন | লক্ষ লক্ষ ক্রেতার তথ্য থেকে বলে দিতে পারছে কোন প্রোডাক্ট এর কতোটা কোথায় বিজ্ঞাপন দিলে কত সেল বা বিক্রি হতে পারে | আমি প্রথমে উবের এর কথা বলেছিলাম | উবের প্রায় সব কিছুই AI দিয়ে করে | তার মধ্যে আছে রিস্ক assesment, মার্কেটিং,গাড়ির সঠিক রুট নির্ণয়, সুরক্ষা, গাড়ির চালক ও যাত্রীকে মেলানো ইত্যাদি ইত্যাদি |

সমস্যা

এতক্ষণ যা বললাম তা সবই সুবিধের কথা | কিন্তু এর ফলে অসুবিধে হবার সম্ভাবনাও কম নয় |

 ১) বেকারত্ব: যদি সব কিছু করে ফেলে তা হলে মানুষ করবে কি? গাড়ির চালক এর দরকার না থাকলে সারা পৃথিবীর  লক্ষ লক্ষ গাড়ি চালক এর কাজ যাবে| কারখানা তে এমন কি দোকানেও সব কাজ যদি যন্ত্র করতে আরম্ভও করে তা হলে অসংখ্য চাকরি চলে যাবে মানুষের হাত থেকে | সোসিয়াল সায়েন্টিস্ট বা সমাজ বিজ্ঞানীরা হিসেব করে দেখেছেন যে আর্টিফিসিয়াল ইন্টালিজেন্স  এর জন্যে এখন কার ৫০ শতাংশ কাজ আর থাকবে না | ফলে বহু মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়বেন ও ধনী ব্যাক্তিরা আরো ধনী এবং গরীব রা আরো গরীব হয়ে যাবে |

 কিন্তু এর বিরুদ্ধেও যুক্তি আছে | যে কোনো প্রযুক্তিগত উন্নতি হলেই কাজের ধরনের পরিবর্তন হয়| আগের ধরনের কাজ চলে যায় এবং নতুন ধরনের কাজ এসে যায় | উদাহরণ হিসেবে বলা যায় মোবাইল ফোনের আবিষ্কার ও জনপ্রিয়তার ফলে টেলিফোন এক্সচেঞ্জ এর কাজ এখন প্রায় নেই বললেই চলে| কিন্তু তার বদলে মোবাইল ফোন কে ঘিরেই গড়ে উঠেছে আর এক ধরনের চাকরির সুযোগ | যেমন বহু লোক এখন মোবাইল ফোন সারাতে ও বিক্রি করতে নিযুক্ত | নতুন কোনো ধরনের যন্ত্র তৈরী হলেই তার পরিচালনা ও রক্ষনা বেক্ষণ ঘিরে গড়ে ওঠে আর একটা কর্ম ক্ষেত্র | তাই যান্ত্রিক বুদ্ধি কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেকারত্ব আনলেও অন্য ক্ষেত্রে জব তৈরী করে পুষিয়ে দেবে বলেই মনে হয় |

২) গোপনীয়তা: আর একটা সমস্যা হচ্ছে প্রাইভেসি বা ব্যাক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা সংক্রান্ত |

 একটু আগেই বলেছি গুগল বা ফেসবুক আমাদের সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে|শুধু এরাই নয়, এখন প্রায় সবাই এই চেষ্টায় মেতে আছে| কারণ বড় বড় কোম্পানি চায় কি ধরনের জিনিস আমি কিনব, কি আমাদের আসল পছন্দ| আমরা কোন ধরনের খবর পড়তে ভালোবাসি | প্রত্যেকটি মানুষ এখন নিজের অজান্তেই গিনিপিগ | 

আমরা গুগল বা ফেসবুক থেকে অনেক তথ্য জানতে পারছি কিন্তু গুগল আর ফেসবুক ও আমাদের সমস্ত খুটিনাটি তথ্য জেনে নিচ্ছে | এতে যে প্রোডাক্ট সেল ভালো হচ্ছে তাই নয় এরা যন্ত্রের সাহায্যে বুঝতে পারছে যে কি ভাবে আমাদের করে আমাদের কিছু গছিয়ে দেওয়া যায় | এমন ভাবে সমস্ত জিনিস সাজানো হচ্ছে যাতে আপনার পছন্দ হয় এবং তা আপনি গ্রহণ করেন | সেটা কোনো পণ্য হতে পারে বা কোনো রাজনৈতিক মত | আপনাকে কায়দা করে একটি রাজনৈতিক দল কে ভোট দিতে খুব সূক্ষ্ম ভাবে টেনে আনা হচ্ছে | ফেসবুক এর থেকে লক্ষ্য লক্ষ্য লোকের ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে কেমব্রিজ আনালিটিকা বলে একটি সংস্থা রাজনৈতিক প্রচার করার ঘটনা সারা বিশ্ব কে নাড়িয়ে দিয়ে গেছে |

গণতান্ত্রিক দেশ গুলিতে তাই চেষ্টা করা হচ্ছে নিয়ম কানুন প্রচলন করার যাতে আপনার ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার না হয় | অনেকেই এখন ভি.পি.এন (VPN) বলে একটি সফ্টওয়ার ব্যবহার করছেন যা আপনি কে এবং কোথা থেকে কি দেখছেন বা সার্চ করছেন তা গোপন রাখছে | কিন্তু চীন প্রভৃতি একনায়ক তান্ত্রিক দেশ গুলিতে ব্যক্তিগত তথ্য খুব বাধাহীন ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে কে কি করছে তার ওপর নজর দারি করতে | সেখানে প্রতিটি তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে এটা জানতে যে আপনি শাসক দল যা করছে তা মানছেন কি না | আপনি শাসক দলের অনুগামী হলে আপনার সমূহ সুযোগ সুবিধে দেওয়া  হচ্ছে | বিরোধী ধরনের কাজ করলে আপনাকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন ভাবে |

 যেহেতু চীনে তথ্য সংগ্রহে কোনো বাধা নেই তাই যন্ত্রকে তথ্য সরবরাহতেও ওই দেশ অনেক এগিয়ে যাচ্ছে | তারফলে সুবিধে হচ্ছে বিজ্ঞান, টেকনোলজি সহ সমস্ত বিষয়ে | চীন এ তাই মহাযজ্ঞ চলছে আর্টিফিসিয়াল ইন্টালিজেন্স এর | ওই দেশ এর জন্যে কিছু দিনের মধ্যেই অন্য দেশ গুলির তুলনায় সব বিষয়ে বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে এমন সম্ভাবনা খুব বেশি প্রকট হচ্ছে | গণতান্ত্রিক দেশ গুলি সেই কারণে ভীত|

যা হতে চলেছে

কিছুদিনে মধ্যে আপনি আমিও আমাদের কাজে কৃত্রিম বুদ্ধি কাজে লাগাবো আমাদের অনেক কাজেই |  আপনার ব্যবসা বা চাকরি ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ করবেন খুব শিঘ্রী | ম্যাট্রিমনি সাইট গুলি এখনি আরম্ভ করে দিয়েছে এর সাহায্যে দুজনের মধ্যে গাঁটছড়া লাগানোর কাজ |  AI এর সম্ভাবনা অপরিমিত |

এবার একটা ঠাট্টার কথা বলি | আপনি লেগে পড়ুন যান্ত্রিক বুদ্ধির সাহায্যে কি করে আপনার পছন্দের মেয়েটির পছন্দ অপছন্দ অনুযাই আপনা ফেসবুক ,ইনস্টা প্রোফাইল, ছবি এবং তথ্য পরিবেশন করতে যাতে খুব সহজেই সে আপনার প্রেমে পড়ে |

আমি যে লেখাটি এতক্ষণ লিখলাম সেটা আপনাদের পছন্দের হলো কিনা বা কোন ধরনের পাঠকের পছন্দ হলো সেসব তথ্য কিন্তু AI এর সাহায্যে সহজেই জানতে পারা যাবে এবং সেই অনুযায়ী আমিও পরবর্তী কালে আমার লেখা গুলো লিখব যাতে আমার লাভ হয় |

হাহা|




 

 

 

 


মন্তব্যসমূহ